শনিবার ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

নিজস্ব সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ১৬:০৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

কানাডায় হতাশ বাংলাদেশিরা

কানাডায় হতাশ বাংলাদেশিরা
কানাডা

উন্নত জীবনের আশায় কানাডায় পাড়ি জমিয়ে কাজ না পেয়ে হতাশ অনেক বাংলাদেশী। জার্মান ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

ডয়চে ভেলে জানায়, বাংলাদেশের সিলেটের সুমিত আহমদ পাঁচ মাস হলো কানাডার টরন্টোতে এসেছেন। তবে প্রতিদিন হন্যে হয়ে কাজ খুঁজলেও কোনো ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন না।

কানাডায় বাংলাদেশি এলাকা হিসেবে খ্যাত ড্যানফোর্থ। সেখানে প্রতিদিন দুবার করে আসেন সুমিত আহমদ। একটাই আশা, যদি কোনো কাজের খোঁজ মেলে। তবে এখনো তিনি কোনো কাজ পাননি। কাজ ছাড়া কীভাবে চলছে সবকিছু জানতে চাইলে সুমিত বলেন, ‘সরকার যে টাকা (রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলে প্রতি ব্যক্তিকে মাসে ৭০০ ডলারের মতো) দেয়, আপতত সেটা দিয়েই চলছি।’

শুধু সুমিত নন, তার মতো অনেক বাংলাদেশির দেখা মিলবে টরন্টোর ড্যানফোর্থ এলাকায়। সেখানে সব সময় কিছু বাংলাদেশি থাকবেন, যাদের একটাই আলোচনার বিষয়, কোথায় একটা কাজ পাওয়া যাবে কি না।

গত বছরের অক্টোবরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশি তরুণ সুলাইমান সাহিদের টরন্টোয় যান। বাংলাদেশে স্বামী ও স্ত্রী দুজনই ভালো টাকায় দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। তবে কানাডায় স্ত্রী একটা চাকরি শুরু করলেও তিনি এখনো কাজ পাননি। সুলাইমান বলেন, ‘দেশ হিসেবে ইমিগ্র্যান্টদের জন্য কানাডা অবশ্যই ভালো, কিন্তু সবার জন্য নয়। বিশেষ করে, কেউ এসেই চাকরি পেয়ে যাবে, ব্যাপারটা তেমন নয়। ন্যূনতম ছয় মাস থেকে এক বছর অপেক্ষা করতে হবে। ফলে মাঝের সময়টায় টিকে থাকার জন্য হাতে টাকা থাকতে হবে। না থাকলে কঠিন হয়ে যাবে৷’

দ্রুত চাকরি না পাওয়ার কারণ হিসেবে বাংলাদেশের শক্তিশালী কমিউনিটি না থাকাকে দায়ী মনে করেন সুলাইমান। তিনি বলেন, ভারতীয় বা পাকিস্তানিরা নতুন এসে তাদের কমিউনিটির কাছ থেকে যে ধরনের সহযোগিতা পেয়ে থাকেন, সেটা বাংলাদেশিরা পায় না। আবার বাংলাদেশিদের দক্ষতারও অভাব আছে। তার মতে কানাডায় কাজ করার জন্য ন্যূনতম যে ইংরেজি জানা দরকার, বেশিরভাগই সেটা জানে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

জনপ্রিয়