বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:৩১, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পদ-বাণিজ্যের অভিযোগে ছাত্রশিবিরের পদ থেকে বহিষ্কার রাকসু জিএস

পদ-বাণিজ্যের অভিযোগে ছাত্রশিবিরের পদ থেকে বহিষ্কার রাকসু জিএস
ছবিঃ সংগৃহীত

এক বছর আগে পদ-বাণিজ্যসহ নৈতিক স্খলনের অভিযোগে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ থেকে বহিষ্কার হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, ঘটনাটি ২০২৫ সালের। কিছু অনিয়মের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আম্মারের সাথী পদ স্থগিত করে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। তবে তিনি সেটি করতে না পারায় সেপ্টেম্বরে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।’

রাকসু নির্বাচনে শিবিরের ‘ডামি প্যানেল’ হিসেবে আলোচনায় আসা ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেল থেকে জিএস নির্বাচিত হন আম্মার। ওই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মেহেদী সজীব পরে শাখা শিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এবার শিবিরের সাথী হিসেবে আম্মারের নাম সামনে আসায় সেটি যে শিবিরের ‘ডামি প্যানেল’ ছিল তা অনেকটাই প্রমাণিত হলো।

এর আগে গত ৩১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আম্মারের ‘সাথী’ পদ বাতিল করা হলেও বিষয়টি সামনে আসে।

ছাত্রশিবিরের পূর্ণ সদস্য হওয়ার আগে ‘সাথী’ একটা সাংগঠনিক পর্যায়। এই পর্যায় পেরনোর পর শিবিরের সদস্য ও সাংগঠনিক পদ পাওয়া যায়।

শাখা শিবিরের চিঠিতে বলা হয়, ‘নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় আম্মারের সাথী পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত হয়। উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় আম্মারের সাথী পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তৎকালীন সভাপতি ও বর্তমানে রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদের সই করা এক চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে ‘পদ-বাণিজ্যের’ অভিযোগের কথা বলা হয়।

এ বিষয়ে জানতে আম্মারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন ও বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়