শনিবার পর্যন্ত বন্ধ রিয়াদের বিমানবন্দর
রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রাখার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার পর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং পুনরায় চালুর প্রস্তুতি যাচাই করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ৯টা পর্যন্ত বিমানবন্দরটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। উড়োজাহাজ চলাচল ও বিমানবন্দরের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে, এমন তথ্য জানাতে জারি করা আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি ‘নোটিস টু এয়ারমেন’-এ এ সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বিমানবন্দরে হামলা ঠেকাতে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে অবগত দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এপি জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, প্রথমে কয়েকটি ড্রোন পাঠানোর পর ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সমন্বিত হামলা চালায় হুতিরা। এতে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র বিমানবন্দরে আঘাত হানে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য, হুতিদের কাছে এমন কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যেগুলোর ওয়ারহেড উড্ডয়নের সময় গতিপথ পরিবর্তন করতে সক্ষম। এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে ধ্বংস করা প্যাট্রিয়টের মতো প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য কঠিন হতে পারে।
এ ছাড়া হামলার আগে কেন আগাম সতর্কতা জারি করা হয়নি, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এক হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে রিয়াদে পৌঁছায়।
এদিকে, হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ও যাত্রীদের সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, মক্কা ও মদিনা ছাড়া সৌদি আরবের অন্য বিমানবন্দরগুলো নিরাপদ নয়।
এর আগে বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। শনিবারের হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন। পরদিন রোববারের আরেকটি হামলায় একজন নিহত ও ১১ জন আহত হন।



























