অক্টোবরে ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি করবে বিমান : মিল্লাত
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর বড় করতে নতুন করে ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী অক্টোবরেই এয়ারবাসের সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ১০টি এয়ারবাস কিনছি। ইনশাআল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি স্বাক্ষর হবে।’
মন্ত্রী জানান, এয়ারবাসের উড়োজাহাজগুলো ২০৩৩ সাল থেকে বিমানের বহরে যুক্ত হতে পারে। সরবরাহ প্রক্রিয়া ২০৩৬ অথবা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত চলার সম্ভাবনা রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নতুন উড়োজাহাজ পাওয়া সম্ভব নয় বলেই কয়েক বছর আগেই ক্রয়াদেশ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
স্বল্পমেয়াদি চাহিদা পূরণে আরও ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও জানান মিল্লাত। তবে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো উড়োজাহাজ লিজ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আগের চুক্তির আওতায় প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালে সরবরাহের কথা রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত একটি উড়োজাহাজ ২০২৭ অথবা ২০২৮ সালে দেওয়ার জন্য বিমান অনুরোধ জানিয়েছিল। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্য উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ করা হবে।
তিনি জানান, অতিরিক্ত ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে ব্যয় হবে প্রায় ২৭০ কোটি মার্কিন ডলার। তবে পুরো অর্থ একসঙ্গে পরিশোধ করতে হবে না। উড়োজাহাজ সরবরাহের সময়সূচি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করা হবে।
বর্তমানে বিমানের বহরে ১৭টি বোয়িং উড়োজাহাজ রয়েছে। কোনো এয়ারবাস উড়োজাহাজ নেই। উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের চাপের অভিযোগ নাকচ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য বিমানের সক্ষমতা বাড়ানো এবং যেসব রুটে বর্তমান সেবার তুলনায় যাত্রীর চাহিদা বেশি, সেসব রুটে ফ্লাইট বাড়ানো।
মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে আরও উড়োজাহাজ পাওয়া গেলে বিমানের ফ্লাইট বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি সিডনিতে নতুন করে ফ্লাইট চালু এবং জাপানে দ্বিতীয় ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করছে বিমান। এভিয়েশন অডিট শেষ হওয়ার পর নিউইয়র্কে বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।



























