রোববার ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৩১, ১০ অক্টোবর ২০২৬

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

দেশে খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বলেছেন, জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু খাদ্য মজুত করলেই হবে না, বরং সুষ্ঠু সংরক্ষণ, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। আসন্ন রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অপচয় রোধ এবং সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

শনিবার চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

পরিদর্শন শেষে তিনি দেওয়ানহাট সিএসডির গুদাম ঘুরে দেখেন। পরে হালিশহর সিএসডির সম্মেলন কক্ষ উদ্বোধন করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খাদ্যচাহিদা, গুদামভিত্তিক মজুত এবং সরবরাহের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। খাদ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের প্রতিটি পর্যায়ে কার্যকর সমন্বয় থাকলে সময়ক্ষেপণ, পরিবহন ব্যয় এবং খাদ্য অপচয় কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

আসন্ন রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত থাকায় রমজানে সরবরাহ সংকট দেখা দেবে না বলে তিনি আশাবাদী। তবে এ সময় বাড়তি চাহিদা, পরিবহন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার বিষয়টি মাথায় রেখে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যপণ্যের সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ, আমদানি ও অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটসহ বিভিন্ন কারণে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির চাপ তৈরি হতে পারে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা ও স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা দূর করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্য দেশে পৌঁছানো নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি খাদ্য বিভাগের জনবল সংকট ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা নিরসনে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সম্পর্কিত বিষয়:

জনপ্রিয়