বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:২৫, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্ট ড্র

আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্ট ড্র
ছবিঃ সংগৃহীত

আবুধাবি টেস্টের শেষ দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৭ উইকেট। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের লক্ষ্য ছিল ৩৪৭ রান। সেই রান তাড়া করে জিততে না পারলেও বাংলাদেশের বোলারদের বাকি উইকেটগুলো তুলে নিতে দেয়নি আফগানরা। পাঁচ দিনের লড়াই শেষে তাই ড্র হয়েছে দুই দলের একমাত্র টেস্ট।

আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটার হাশমতউল্লাহ শহীদি ও সেদিকুল্লাহ আতালের জুটিতে শুরুতেই ছন্দপতন ঘটে। পায়ে ব্যথা পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন শহীদি। তবে ইকরাম আলিখিল ও ইসমত আলমকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান আতাল। দুজনের সঙ্গে গড়েন যথাক্রমে ৬৬ ও ৪০ রানের জুটি। প্রথম জুটি ভাঙেন এবাদত হোসেন, দ্বিতীয়টি ভাঙেন মেহেদি হাসান মিরাজ।

তবে বাংলাদেশের বোলাররা থামাতে পারেননি সেদিকুল্লাহকে। এক প্রান্ত আগলে রেখে টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই আফগান ব্যাটার। একই সঙ্গে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করা প্রথম আফগান ব্যাটার হওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি। ১৬৬ বলে ফিফটি ছোঁয়ার পর সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে খেলেন ২৭৭ বল। শেষ পর্যন্ত তাইজুল ইসলামের শিকার হওয়ার আগে ৩৩২ বলে ১১১ রানের ইনিংস খেলেন সেদিকুল্লাহ। তাঁর ব্যাটেই ড্রয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে যায় আফগানিস্তান।

তখনো খেলা বাকি ২১ ওভার, বাংলাদেশের প্রয়োজন মাত্র ৩ উইকেট। কিন্তু পরপর দুই বলে রানআউটের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ভুলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ফিল্ডাররা। এ ছাড়া সহজ ক্যাচও মিস হয়। আক্রমণাত্মক ফিল্ডিং সাজিয়েও ইয়ামিন আহমেদজাই ও কায়েস আহমেদের ১১০ বলে ৪৫ রানের জুটি ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ।

শেষ পর্যন্ত আহমেদজাইকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মেহেদি হাসান মিরাজ। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। এরপরও খেলা গড়ায় আরও ৩০ বল। তবে বাকি দুই উইকেট তুলে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। জিয়াউরকে সঙ্গে নিয়ে কায়েস আহমেদের ৮০ বলে ৪৯ রানের অপরাজিত ইনিংসে ড্র নিশ্চিত করে আফগানিস্তান।

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

জনপ্রিয়