রোববার ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬:৪৩, ২০ জুন ২০২৬

চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে ইবির বৈবিছা’র নেতা

চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে ইবির বৈবিছা’র নেতা
ছবি: সংগৃহীত

পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তিনি এই অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি ।

বাঁধন বিশ্বাসের চার দফা দাবিগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ বন্ধ করা, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সকল ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো।

এসময় প্রশাসন ভবন গেটে  "যোগ্যতার জয় হোক পশু কোটা রোধ হোক," "অযৌক্তিক ভর্তি ফি, বাতিল চায় বাতিল চাই," "অযৌক্তিক স্টেশন ফি, বাতিল চাই বাতিল চাই," সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি, বাতিল চায় বাতিল চাই," লেখা যুক্ত পোস্টার দেখা যায়।

অনশনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, আজকে আমি প্রশাসনের বিরুদ্ধে চার দফা  দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করতেছি। আমাদের জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিতে। দাবি আদায় না হওয়ায় পরবর্তীতে এটি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। আমাদের প্রায় ১৪০০ প্লাস ভাইবোনকে শহিদ করা হয়েছে। এবং ২২ হাজার প্লাস ভাইবোনকে আহত হয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করি। কিন্তু তার পরবর্তী প্রশাসন অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু যে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের যে সিন্ডিকেট, সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেনি। বর্তমান প্রশাসনের কাছে দাবি এ পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং অযৌক্তিক ফি-গুলো কমাতে হবে।

এছাড়াও তিনি বলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে হয়রানি করা হয় শিক্ষার্থীদের। কোনো কাজে গেলেই শিক্ষার্থীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা বাপ-মা তুলে গালিগালাজ করে। এটাও যেন না করা হয়। সার্টিফিকেট উত্তলনে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়। সে হয়রানি গুলো বন্ধ করতে হবে। এ চার দফা দাবি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

জনপ্রিয়