রেজিস্ট্রেশন করেও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্যারমে অংশগ্রহণ করেনি রাবিপ্রবি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে তিন দিনব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্যারম প্রতিযোগিতায় রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেও অংশ নেয়নি রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি)। এতে ক্যাম্পাসের ক্যারম খেলোয়াড়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে আক্ষেপ ও হতাশা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নাম নিবন্ধন করা হলেও শেষ পর্যন্ত দল মাঠে নামেনি বলে জানা গেছে। রেজিস্ট্রেশনের পরও অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, এমন সিদ্ধান্তে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বের একটি সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রতিযোগিতায় রেজিস্ট্রেশন করেও কেন অংশগ্রহণ করা হলো না, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন। তাদের মতে, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্ট শুধু খেলাই নয়, বরং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক সংস্কৃতিরও প্রতিফলন।
এ বিষয়ে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী পাপ্পু খেয়াং বলেন, "রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পরও অংশগ্রহণের সুযোগ না পাওয়া আমাদের জন্য হতাশাজনক। প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে- ভবিষ্যতে এমন বিষয়ে আগাম পরিকল্পনা, স্পষ্ট যোগাযোগ এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও দায়িত্বশীল অবস্থান নিশ্চিত করা। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলুক, যেখানে শিক্ষার্থীদের আগ্রহের জায়গা গুলোর যথাযথ মূল্যায়ন পাবে।"
ক্যারম খেলোয়াড় সুমন ত্রিপুরা বলেন, "আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্যারাম প্রতিযোগিতায় রেজিস্ট্রেশন করার পরও বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ না করাটা সত্যিই দুঃখজনক বা হতাশাজনক এতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা একটি ভালো সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সহশিক্ষা কার্যক্রমে এমন অনুপস্থিতি আমাদের জন্য দুঃখজনক । ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যাগুলো এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত আরও সুপরিকল্পিতভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সময়মতো সমন্বয় করা, যাতে কোনো শিক্ষার্থী বা দল বঞ্চিত না হয়।"
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক জিএম সেলিম আহমেদ বলেন, "একই সময়ে ২টা ক্যাম্পাসে খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ায় আমরা অংশগ্রহণ করতে পারিনি।"
উল্লেখ্য, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলোতে নিয়মিত অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ, পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।



























