পদত্যাগের পর বঙ্গভবন ছেড়ে যেখানে উঠবেন সাহাবুদ্দিন
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। একাধিক গণমাধ্যমে এ সম্পর্কিত খবর প্রকাশিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, দায়িত্ব ছাড়ার পর রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত বাসভবনে উঠবেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে চিকিৎসা ও বিশ্রামের জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সূত্র জানায়, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে অবস্থান করায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। যদিও সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফেরার বিষয়ে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের প্রক্রিয়ার সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের সম্পর্ক থাকতে পারে।
বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার দাবি, রাষ্ট্রপতি নীতিগতভাবে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিলেন। তার মনোনীত কয়েকজন কর্মকর্তা ব্যক্তিগত মালামাল গুছিয়ে নেওয়া শুরু করেছেন বলেও জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, চলতি মাসের মধ্যেই বঙ্গভবন ছাড়ার বিষয়ে মৌখিক নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সময় তিনি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছিলেন।
সূত্র: ইত্তেফাক



























