শনিবার ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৩৩, ২৪ জুলাই ২০২৬

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। একটু আগে (বিকেল সাড়ে চারটা) স্পিকার বরাবর পদত্যাগ করেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে। বঙ্গভবন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পদত্যাগপত্রে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি লেখেন, তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।

এতে দেখা যায়, পদত্যাগে সেখানে নিজের দায়িত্ব পালন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং শারীরিক অসুস্থতার বিষয় তুলে ধরেছেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে তিনি নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হলে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের আওতায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেন। পরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং সেই নির্বাচনের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তার দৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণেই দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।

পদত্যাগপত্রের বড় অংশজুড়ে নিজের শারীরিক অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি লিখেছেন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন। এর আগে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। সম্প্রতি তার শরীরে Autonomic Neuropathy শনাক্ত হয়েছে, যার কারণে মাঝে-মধ্যে তিনি ক্ষণিকের জন্য অচেতন হয়ে পড়েন। এসব শারীরিক জটিলতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে আর সম্ভব নয় এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন।

এসব কারণ উল্লেখ করে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

জনপ্রিয়