১০ এয়ারবাস কিনছে বাংলাদেশ, চুক্তি সই
দীর্ঘদিনের আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে ১০টি এয়ারবাস বিমান কেনার চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনের উৎসব হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিমান ও এয়ারবাসের প্রতিনিধিরা এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ, বিমানের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসাইন, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আসিক চৌধুরী বক্তব্য দেন।
এ সময় এয়ারবাস ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ুর্গেন ওয়েস্টারমায়ার, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুদিগার লটস, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সের শার্লে, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিগা ওচোয়া চিনচেত্রু এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, এয়ারবাস কেনার চুক্তি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা বাড়বে। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তারা বলেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে বিমানের কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নেও এ উদ্যোগ সহায়ক হবে।
বক্তারা আরও জানান, নতুন এয়ারবাস বহরে যুক্ত হলে বিমানবন্দরের পরিবেশ ও যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও বন্ধু হিসেবে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
তাদের মতে, এ চুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং এয়ারবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১০টি এয়ারবাস কেনার এ চুক্তি প্রতিষ্ঠানের বহর সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।



























