বাকস্বাধীনতার কথা বলে জেলে ঢুকিয়েছে ইউনূস সরকার : মনজুর আহমেদ চৌধুরী
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, পানির ব্যাপারে ভারত একটি অবিশ্বস্ত বন্ধু। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে পঙ্গু করে রাখা হতো। ডাইং ফ্যাক্টরিগুলো হচ্ছে নদীর জন্য ক্যান্সার। হাসিনা সরকার আমাকে টার্মিনেট করে দিয়েছিল।
পরিবেশবিদরা গত ৫৪ বছরে একটা নদীর ডেফিনেশন তৈরি করতে পারে নাই। বাক স্বাধীনতা এটা না যে, রায়েট করো। বাকস্বাধীনতা মানে এটা না যে, ৩২ নম্বর ভেঙে ফেলো। ইউনূস সরকারের সময়ে বাকস্বাধীনতার কথা বলে সাংবাদিকদের জেলে ঢোকানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) চরচায় সংলাপে বাংলাদেশের নদী পানি সমস্যা সম্পর্কে বক্তব্য প্রদানের সময় এসব কথা বলেন তিনি।
নদী ও খালের বিষয়ে ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘একটা ওয়ার্ডে; বাক্য না, একটা ওয়ার্ডে যদি বলতে চাই সেটা হলো খুবই দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় আছে বাংলাদেশের নদী, খাল-বিল, জলাভূমি। আপনি যেদিকেই তাকাবেন দেখবেন যে দখল হয়ে যাচ্ছে বা দখল হয়ে গেছে কিংবা দূষিত হয়ে গেছে বা দূষণ প্রক্রিয়ার মধ্যে চলে গেছে। একটা দূষণমুক্ত, সতত প্রবহমান নদী ধীরে ধীরে আমাদের কবিতাই থাকবে।’
নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একটা উপায় হলো এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা। কঠিনভাবে আইনের প্রয়োগ করা এবং যারা এসব দূষণ করে দখল করে তারাও সামাজিকভাবে খুব পাওয়ারফুল। তারা ক্ষমতাধর। সুতরাং সরকারের পক্ষ থেকে যদি শক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাহলে অনেকটা দখলদার কমে যাবে।’
বর্তমান সরকারে খাল খনন কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের যে খাল খনন কর্মসূচি এটি জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় ছিল এবং তিনিই প্রথম উদ্যোক্তা।
কিন্তু ৪৫-৪৭ আগের যে পরিস্থিতি আর আজকের পরিস্থিতি, পরিবেশ প্রতিবেশ তো ভিন্ন, তখনো কিন্তু রাজনৈতিকভাবে এই খাল খনন কর্মসূচি যতটা প্রচার পেয়েছে, বাস্তবে কতটা খাল উদ্ধার হয়েছে, সেই প্রশ্ন আসে। তিনি যেসময় খাল খনন করেছেন তখন দখল এতটা ছিল না। জিয়াউর রহমানের যে খালগুলো তার কর্মসূচির মধ্যে ছিল, তার অনেকগুলো তো পুরোপুরি ভরাট হয়ে গেছে, সেখানে হয়তো এখন স্থাপনা অথবা কৃষি পণ্য চাষ হচ্ছে।’



























