নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ঝিনাইদহে আহত ১৩
ঝিনাইদহে নির্বাচন-পরবর্তী পৃথক তিনটি সহিংস ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলায় এসব হামলা, পাল্টা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সকাল প্রায় ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নীমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাজার রোডে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এ সময় বিএনপির তিন নেতা—খোকন, ইভন ও জাবেদ আলীকে পিটিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত জাবেদ আলীকে যশোর সদর হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে। তিনি কালীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
একই সময়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডঙ্গা ইউনিয়নের ভিটশ্বর গ্রামে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকরা কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে আকরাম হোসেন, ফজলুর রহমান, ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও জাফর উদ্দীনসহ পাঁচজন আহত হন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাদের সবাইকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের খড়াশুনি গ্রামে কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থক কওসার বিশ্বাসের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেন ধানের শীষের সমর্থকরা।
এর আগে সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা বাজারের খালকুলা গ্রামে ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ধানের শীষের সমর্থক রবিউল শেখ এবং কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থক মোশারেফ শেখ ও ইব্রাহিম শেখ আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মহেশপুর উপজেলায় দুর্বৃত্তরা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত প্রেসক্লাব মহেশপুর কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
ঘটনার বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



























