রোববার ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:২৭, ১১ জুলাই ২০২৬

ভোলায় পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে আহত ১০

ভোলায় পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে আহত ১০
ছবি: সংগৃহীত

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজ এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল করতে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের কয়েকটি শ্রেণীকক্ষ ভাঙচুরেরও অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকরা অতিরিক্ত কড়াকড়ি করার অভিযোগ তোলেন পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া নকল করতে না দেয়ায় একাংশের পরীক্ষার্থী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা শেষে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং দায়িত্বরত শিক্ষক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করার চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে তারা কেন্দ্রের কয়েকটি শ্রেণীকক্ষে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে। সংঘর্ষে দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ঘটনার পর পরীক্ষাকেন্দ্র ও আশপাশ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ আল ভূঁইয়া বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রথমে আন্দোলনকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল (টিয়ারগ্যাস) নিক্ষেপ করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়