রোববার ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:১১, ১১ জুলাই ২০২৬

ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগাতে সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগাতে সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

দেশে বিদ্যমান বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা কাজে লাগাতে বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শনিবার গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (গাজীপুর-২) এম মঞ্জুরুল করিম রনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে যে বিপুল পরিমাণ কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও নেই। এই বিশাল তরুণ প্রজন্মকে যদি আমরা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি, তবে দেশ কোনোভাবেই পিছিয়ে থাকবে না। জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করাই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। সে কারণেই সরকার শিক্ষা খাতকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমাদের দেশে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পর ভর্তি জটে শিক্ষার্থীদের প্রায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়ে যায়, যা দেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি। এই দীর্ঘ সময় অপচয়ের কারণে আমরা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সফলভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে যেন কোনো সময় নষ্ট না হয়, সেজন্য সরকার ইতোমধ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সেশনজট নিরসনে কঠোর বার্তা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেন কোনো ধরনের সেশনজট না থাকে, তা প্রশাসনকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের কৃষি খাতকে আরও উন্নত ও আধুনিক করতে হবে। এজন্য কৃষি ক্ষেত্রে নতুন নতুন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর ব্যবহার বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি। এই প্রযুক্তিগত রূপান্তরে দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অগ্রণী ও নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করতে হবে।’

এর আগে, শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ‘আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র অংশ হিসেবে গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং নিজে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়