কুবির ইংরেজি বিভাগের ১৮তম উইকেন্ড প্রোগ্রামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ইংরেজি বিভাগের আয়োজনে এমএ (উইকেন্ড প্রোগ্রাম) এর ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে এ বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহা. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
বিভাগের অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাস ও সহযোগী অধ্যাপক মো. হারুন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষক ও বিদায়ী ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাস বলেন, “আমি যতটুকু দেখেছি ১৮ ব্যাচ ছিল অত্যন্ত উদ্যমী ও আন্তরিক। আজ বিদায়ের মুহূর্তে আপনাদের আবেগই প্রমাণ করে, আপনারা এই বিভাগের পরিবারেরই একটি অংশ ছিলেন। একাডেমিক ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডে আপনাদের অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও বিভাগের সঙ্গে আপনাদের এই বন্ধন অটুট থাকবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে সেমিস্টার পরীক্ষাগুলো গুলো আপনাদের জীবনে শুভ স্মৃতি হয়ে থাকবে। কুবির উইকেন্ড প্রোগ্রামগুলোতে সবসময় মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা হয়। ইংরেজি বিভাগ গুণগত শিক্ষা, শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ এবং যুগোপযোগী কারিকুলামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলছে।”
তিনি আরো বলেন, “আপনাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলেই এ শিক্ষার প্রকৃত সার্থকতা অর্জিত হবে।”
অনুষ্ঠানের সভাপতি ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “আজ আপনাদের মধ্যে যে উদ্দীপনা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখেছি, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আমি যতদিন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে থাকব, ততদিন এ ধরনের বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রস্তাব থাকবে—যেসব বিভাগে উইকেন্ড প্রোগ্রাম চালু রয়েছে, সেসব বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য সমন্বিতভাবে সমাবর্তনের ব্যবস্থা করা হলে তাদের অর্জনের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই ১৮ মাসে আপনারা যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা বাস্তব জীবনে কাজে লাগাবেন। জীবনের নতুন অধ্যায়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্জিত শিক্ষা ও মূল্যবোধ ধারণ করে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবেন। আপনারা যেখানেই কর্মজীবনে যুক্ত হন না কেন, নিজেদের কর্মের মাধ্যমে কুবির সুনাম ও মর্যাদা সমুন্নত রাখবেন।”



























