শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

বাসস

প্রকাশিত: ১৯:১০, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চতুর্থ অভিশংসনের সম্মুখীন দুতের্তে

চতুর্থ অভিশংসনের সম্মুখীন দুতের্তে
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সদ্য ঘোষিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সারা দুতের্তের বিরুদ্ধে চতুর্থ দফা অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এএফপি’র হাতে পাওয়া এক নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

অভিযোগপত্রে দুতের্তের বিরুদ্ধে সরকারি তহবিলের অপব্যবহার ও অনুল্লেখিত সম্পদের ‘উদ্বেগজনক’ অভিযোগ তোলা হয়েছে। 

বুধবার তিনি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থিতা ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রড্রিগো দুতের্তের মেয়ে সারা দুতের্তেকে গত বছর প্রতিনিধি পরিষদ অভিশংসিত করেছিল। তবে প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে ফিলিপাইনের সুপ্রিম কোর্ট সেই মামলা খারিজ করে দেয়।
 
ম্যানিলা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ফিলিপাইনের সংবিধান অনুযায়ী, অভিশংসন গৃহীত হলে সিনেটে বিচার শুরু হয়। দোষী সাব্যস্ত হলে সারা দুতের্তে রাজনীতিতে অযোগ্য ঘোষিত হবেন ও তার প্রেসিডেন্ট হওয়ার আশা চিরতরে শেষ হয়ে যাবে।

লা ইউনিয়ন প্রদেশের প্রতিনিধি পাওলো ওর্তেগা বলেন, ‘এটি সাংবিধানিক জবাবদিহিতার বিষয়। যে কোনো অনুল্লেখিত সম্পদ বা অজানা উৎসের সম্পদ গুরুতর ইস্যু।’ 

পাওলো অভিযোগের সমর্থনকারী দুই আইনপ্রণেতার একজন।

চলতি বছরে ভাইস প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দায়ের করা আগের অভিশংসন মামলাগুলোর মতো নতুন অভিযোগটিতেও দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

৯ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা এক অভিযোগে বলা হয়, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালে সারা দুর্তের্তে অন্তত ১ কোটি মার্কিন ডলার কর দাতাদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

ওই অভিযোগের সমর্থনকারী প্রতিনিধি লেইলা দে লিমা বলেন, এটি গত বছর সুপ্রিম কোর্টে খারিজ হওয়া অভিযোগের ‘উন্নত সংস্করণ’।

বুধবার দুতার্তে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন এবং প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন।
২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যৌথ বিজয়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই দুই সাবেক মিত্রের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। 

দুতের্তেকে তার পছন্দের মন্ত্রিসভা পদ না দিয়ে, শিক্ষা সচিব করা হয়।

এএফপি’র দেওয়া সাক্ষাৎকারে দু’জন বিশ্লেষক মনে করেন, ২০২৮ সালের প্রার্থিতা ঘোষণার মাধ্যমে দুতের্তে তার মিত্রদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে ও তার গোষ্ঠীর পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনা জোরালোভাবে তুলে ধরতে চেয়েছেন।