শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:০০, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টি-টোয়েন্টিতে ভুল করলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন: রশিদ খান

টি-টোয়েন্টিতে ভুল করলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন: রশিদ খান
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আফগানিস্তান দলের জন্য হয়ে রইল হতাশার অধ্যায়। ‘গ্রুপ অব ডেথ’-এ পড়েই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয় তাদের। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচেই পরাজয়ের স্বাদ পাওয়ায় গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় আফগানদের।

আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-এর জন্য সবচেয়ে বেদনাদায়ক মুহূর্ত আসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে। টানটান উত্তেজনার লড়াই শেষে পরপর দুইটি সুপার ওভারে হেরে যায় দলটি। এই পরাজয় কার্যত তাদের বিশ্বকাপ যাত্রার ইতি টেনে দেয়। ফলে পরবর্তী ম্যাচগুলো কেবল নিয়মরক্ষার আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়।

দলের অধিনায়ক রশিদ খান জানান, এই টুর্নামেন্টে প্রথম দুটি ম্যাচই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলতে হওয়ায় চাপটা ছিল অনেক বেশি। তিনি বলেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একটি ছোট ভুলও বড় মাশুল দিতে বাধ্য করে। বড় দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপ শুরু করা কঠিন হলেও, এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য, আগের বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু এবার তারা গ্রুপপর্বের গণ্ডি পেরোতেই ব্যর্থ হলো। একই সঙ্গে দলটি আরও একটি বড় পরিবর্তনের মুখে পড়ছে। কোচ জনাথন ট্রট দায়িত্ব ছাড়ছেন। তাকে নিয়ে রশিদ খান বলেন, কোচ হিসেবে ট্রট শুধু খেলার কৌশলই শেখাননি, মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও খেলোয়াড়দের বড় সহায়তা করেছেন। আফগান ক্রিকেটের অগ্রযাত্রায় তার অবদান ছিল অমূল্য।

আগামী দিনে আফগানিস্তান দলের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে নতুন কোচের অধীনে মানিয়ে নেওয়া, ট্রটের শূন্যতা পূরণ করা এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রাখা। নেতৃত্বে রশিদ খানের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সামনে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আফগান দলের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা। সেই আসরে সাফল্য পেতে হলে দক্ষতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স ধরে রাখাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।