লেবাননে ‘যুদ্ধাপরাধ’ করছে ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি
লেবাননে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গণহারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির আদেশ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ‘যুদ্ধাপরাধের’ শামিল বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘দক্ষিণ লেবাননের কিছু অংশে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বেসামরিক নাগরিকদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং তাদের নিজ ঘরে প্রত্যাবর্তনে বাধা দেওয়া অবৈধ স্থানান্তরের শামিল – যা একটি যুদ্ধাপরাধ।’
অ্যামনেস্টির তথ্যমতে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই ধরনের উচ্ছেদ আদেশের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে, যার ফলে লেবানন জুড়ে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক ক্রিস্টিন বেকারলে বলেন, সম্প্রদায়কে উচ্ছেদ করা এবং লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকাকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য ‘প্রবেশ-নিষিদ্ধ অঞ্চল’ ঘোষণা করার পরিবর্তে ইসরায়েলি বাহিনীকে অবশ্যই লেবাননের ভূখণ্ড থেকে অবিলম্বে সরে যেতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার একদিন পর ইসরায়েল লেবাননের প্রায় ৪.৬ শতাংশ এলাকাকে ‘প্রবেশ-নিষিদ্ধ অঞ্চল’ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১৭ এপ্রিল নতুন আরেকটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র তিন দিন পর, এই সীমাবদ্ধ এলাকাটি দেশের প্রায় ছয় শতাংশ পর্যন্ত সম্প্রসারিত করে সেটিকে ‘ফরওয়ার্ড ডিফেন্স’ জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
লেবাননের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে দেশটিতে ইসরায়েলের ব্যাপক আক্রমণে এ পর্যন্ত ৩,৮০০-এরও বেশি মানুষ নিহত, ১১,৮৫০ জন আহত এবং ১০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আল জাজিরা



























