বিরোধ তুঙ্গে, সৌদি থেকে সেনা প্রত্যাহারের পথে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে শীতল হয়ে পড়েছে। ওয়াশিংটনের সামরিক পদক্ষেপে রিয়াদের অসন্তোষের জেরে সৌদি আরব থেকে মার্কিন সেনা উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও টাইমস অব ইসরাইল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করেছিল। তবে এ অভিযানে সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় পরিকল্পনাটি বাতিল করা হয়। সে সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির কারণেই অভিযানটি স্থগিত করা হয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের অবস্থানে অসন্তুষ্ট হয়ে হোয়াইট হাউস রিয়াদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ইন্টারসেপ্টর সরবরাহ স্থগিত রাখার হুমকি দেয়। একইসঙ্গে সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর আগে সৌদি আরব ট্রাম্প প্রশাসনকে সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিল। রিয়াদের আশঙ্কা ছিল, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
যুদ্ধের পর সৌদি আরব কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেয় এবং উত্তেজনা কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।



























