ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও যানজট পরিস্থিতি নিরসনে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। নগরের পরিবহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এই নতুন কাঠামো প্রণয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সম্প্রতি নগর ভবনে আয়োজিত এক আলোচনায় ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে বিভক্ত করে রিকশার যাতায়াত সীমিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রশাসক আব্দুস সালাম জানান, বর্তমানে ঢাকার রাস্তায় উল্টো দিকসহ যত্রতত্র ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলের কারণে শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় রিকশাগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনা এবং নির্দিষ্ট অঞ্চলের সীমানার মধ্যে চলাচলের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হবে।
অর্থাৎ একটি এলাকার রিকশা নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে অন্য এলাকায় গিয়ে যানজট তৈরি করতে পারবে না। পর্যায়ক্রমে দিন ও সড়কভিত্তিক বিধিনিষেধও কার্যকর করা হতে পারে।৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে ঢাকার বাইরে থেকে বিপুল সংখ্যক রিকশার অনুপ্রবেশ ঘটেছে, যা নগরের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লাইসেন্স ছাড়া ঢাকায় কোনো রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।
কেরানীগঞ্জ, ডেমরা কিংবা উত্তরের রিকশা নির্বিচারে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচলের সুযোগ থাকবে না। এই পুরো ব্যবস্থা কার্যকর করতে আইনি কাঠামো পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।রিকশার পাশাপাশি বাসের যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা ও যানজট রোধেও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে।
বিদ্যমান আইন সংশোধনের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাগুলোর জন্য একটি কার্যকর লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করা হবে, যা রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি সড়ক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।সিটি কর্পোরেশনের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন দায়িত্বশীলরা।



























