সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়লেন তানজিদ তামিম
অবশেষে সঙ্গী পেলেন শাহরিয়ার নাফিস। তাতে দীর্ঘ ২০ বছরের অপেক্ষা ফুরাল তার। অবশ্য শুধু তার নয়, বাংলাদেশেরও। এতদিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটার ছিলেন সাবেক এই ওপেনার।
আজ দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি পেলেন আরেক বাঁহাতি ওপেনার। নাফিসের সঙ্গীর নাম তানজিদ হাসান তামিম।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমে অভিষেক সেঞ্চুরি পেলেন বাঁহাতি ওপেনার। ১৮৮ বলে তিন অংক স্পর্শ করেন তিনি। ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৮ চার ও ১ ছক্কায়। ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরি পেয়েছেন তানজিদ।
নাফিসের পর দ্বিতীয় ব্যাটার হলেও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে যে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান তিনি। তিন অংক স্পর্শ করার পর তাই উদযাপনটা ছিল দেখার মতো। লায়নের বলে লং অফে বল পাঠিয়ে পিচের মাঝামাঝি এসেই উদযাপনে মাতেন তিনি। এরপর সিঙ্গেল পূর্ণ করার পর এক হাতে হেলমেট ও ব্যাট উঁচিয়ে উদযাপন করেন তিনি। আর মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি।
অভিষেক সেঞ্চুরি বলে কথা। সেটিও আবার অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদের মাঠে।
২০০৬ সালে ফতুল্লায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন নাফিস। ওপেনিংয়ে নেমে ১৮ চারে খেলেছিলেন ১৩৮ রানের ইনিংস। নাফিসের পাশে বসে তার ইনিংসকে পেছনে ফেলার সুযোগ এখন তানজিদের সামনে। সঙ্গে বাংলাদেশকে বড় লিড এনে দেওয়ার দায়িত্বও তার কাঁধে।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ৩২ রানের লিড পেয়েছে। তানজিদের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে আছেন ফিফটি হাঁকানো নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনে মিলিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়েছেন। ৫০ রান করে অপরাজিত আছেন অধিনায়ক শান্ত। বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২৩০ রান।
এর আগে মমিনুল হকের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ১০২ রান যোগ করেন তানজিদ। ৪৯ রানে আউট হন মমিনুল। অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। প্রতিপক্ষকে ধসিয়ে দিয়ে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন হাসান মাহমুদ। বাকি ৪ উইকেট ভাগ করে নেন তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন।



























