দু’গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ফরিদপুর
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়লে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রোববার (২৮ জুন) সকালে উপজেলার পুখরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষে জড়িতরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান গ্রাম্য আধিপত্যের বিরোধের জেরে হামিরদী ইউনিয়নের মৌজী মহসরদী গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে মানিকদী ইউনিয়নের পুখরিয়া, ব্রাহ্মণকান্দাসহ পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করলে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় সংঘর্ষের প্রভাবে ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, পুখরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গ্রাম্য আধিপত্যকে কেন্দ্র করে কয়েকটি গ্রামের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এ ঘটনায় আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সংঘর্ষের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।



























