নির্বাচিত হয়ে যে ঘোষণা দিলেন শিবা শানু
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু। লাফল প্রকাশের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, বর্তমান সংকটের সময়ে শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোটাই হবে তার প্রথম কাজ।
শিবা শানুর কথায়, ‘যেকোনো নির্বাচনে বিজয়ী হলে অবশ্যই ভালো লাগে। জয়ী হয়ে খুব আবেগাপ্লুত, একই সাথে কিছুটা চাপও অনুভব করছি। কারণ অনেক দায়িত্ব। বর্তমান সময়ে আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পীরা বড় সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। শিল্পীদের কর্মহীন সংকটটা আমি উপলব্ধি করতে পারি। এ সংকট দূর করাই হবে আমার প্রথম কাজ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যখন মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার সাথে দেখা করলাম তখন তাদের জানিয়েছি, শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট-এ মুহূর্তে কোনো টাকা নেই। ফান্ডটা যদি দ্রুত চালু করা যায় তাহলে সাময়িকভাবে হলেও শিল্পীদের অসুবিধাগুলো দূর করতে ভূমিকা রাখতে পারতাম।’
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি গঠিত একটি কমিটির কথা উল্লেখ করে নবনির্বাচিত সভাপতি বলেন, ‘সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠান ও সংস্কৃতিকর্মীদের অনুদান দেওয়ার জন্য একটা কমিটি করা হয়েছে। সেই কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য হয়েছেন জাসাসের সম্মানিত আহ্বায়ক ও অভিনেতা হেলাল খান। আর আছেন আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলনের সহযোদ্ধা ইথুন বাবু। আমি তাদের কাছে মৌখিকভাবে বিষয়টি বলেছি। শিগগির কাগজপত্র নিয়ে তাদের কাছে যাব। তারা যেন আমাদের একটা সহযোগিতা করেন।’
সরকারের কাছে একটি বিশেষ কার্ড চালুর প্রস্তাব দিয়ে অভিনেতা বলেন, “১৮-২০ কোটি মানুষের দেশে চলচ্চিত্রের পূর্ণ সদস্য সংখ্যা মাত্র ৬০০-এর কিছু বেশি। আর সহযোগী সদস্যসহ সব মিলিয়ে হয়তো হাজারখানেক হবে। সরকার যেখানে সুবিধাবঞ্চিত সাধারণ মানুষের মাঝে হেলথ কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছে—সেখানে আমরা যদি সরকারকে বুঝিয়ে আমাদের ১০০০ শিল্পীর জন্য একটা ‘আর্টিস্ট ফ্যাসিলিটিস কার্ড’ চালু করতে পারি তাহলে প্রাথমিকভাবে শিল্পীরা অনেক লাভবান হবেন।”
প্রসঙ্গত, ২৪৩ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শিবা শানু। তার প্রতিদ্বন্দী আরমানের ব্যালেটে পড়ে ১৭৩ ভোট। ২৩৭ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হন জয়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুক্তি পান ১৭৯ ভোট।



























