আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস আজ
বিশ্বজুড়ে আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। নাগরিক অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার প্রত্যয় নিয়ে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালন করা হয়। গণতন্ত্রের নীতি ও চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি এ দিবস অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়।
২০০৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত এক প্রস্তাবের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরের বছর, ২০০৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। তবে এ দিবসের ঐতিহাসিক ভিত্তি আরও আগে। ১৯৯৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) গণতন্ত্রের নীতি, উপাদান ও অনুশীলনের ওপর একটি ‘সর্বজনীন ঘোষণা’ গ্রহণ করে।
ঐতিহাসিক ওই দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং বিশ্বে গণতন্ত্রের অবস্থান পুনর্মূল্যায়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘ ১৫ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস হিসেবে নির্ধারণ করে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা, সাম্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরা।
গণতন্ত্রের চর্চায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জবাবদিহি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখাও গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত।
এদিকে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দিবসটি গণতন্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি করা এবং আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানের শক্ত ভিত্তি দেওয়াকে সমর্থন করে।
তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের নীতি প্রচার ও সুসংহত করার উদ্দেশ্যে এ দিবস উদযাপন করা হয়। গণতন্ত্র অর্জনের সংগ্রামে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
রিজভী আরও বলেন, গণতন্ত্র এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সেবা ও ন্যায়সংগত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সচেষ্ট হয়।



























