কৈশোরকালীন প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
দেশের কিশোর-কিশোরীদের সুস্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৈশোরকালীন প্রজনন স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং ডিজিটাল সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ নীতিগত অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, সচেতন ও সক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নীতিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সেগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ১১তম জাতীয় যুব সম্মেলন অন হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার’ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সম্মেলনটির আয়োজন করে সেরাক-বাংলাদেশ।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর প্রতি পাঁচজনের একজন কিশোর-কিশোরী। জনসংখ্যার এই গুরুত্বপূর্ণ অংশের স্বাস্থ্য ও বিকাশ নিশ্চিত করা জাতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে নীতি সংস্কারের আলোচনা শুধু সভা-সেমিনারে সীমাবদ্ধ না রেখে দ্রুত মাঠপর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগে পরিণত করতে হবে।
কৈশোরে প্রজনন স্বাস্থ্য ও শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে কিশোর-কিশোরীদের স্বাভাবিক কৌতূহলের বিষয়টি তুলে ধরে ড. এম এ মুহিত বলেন, এসব বিষয়ে জানার আগ্রহ স্বাভাবিক হলেও সামাজিক ট্যাবু ও লোকলজ্জার কারণে অনেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ নিতে দ্বিধায় পড়ে। ফলে তারা কোথায় গেলে বা কার কাছ থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবে, তা বুঝতে পারে না।
মানসিক স্বাস্থ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানসিক ট্রমা ও পারিবারিক মানসিক নির্যাতন শিশু-কিশোরদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করতে পারে। এসব সমস্যাকে আড়াল করে রাখলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাই কিশোর-কিশোরীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাদের সমস্যা প্রকাশের নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা জরুরি।



























