চট্টগ্রাম রেঞ্জে ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৫৪৮ জন গ্রেপ্তার
কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মাদকবিরোধী অভিযানে এক দিনে ৫৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৩ লাখ ২১ হাজার ৮৭ পিস ইয়াবা, ২৪৮ লিটার ৫০০ মিলিলিটার চোলাইমদ, ১৪ কেজি ৫৫০ গ্রাম গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) থেকে সোমবার (১৯ অক্টোবর) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, নিয়মিত মামলায় ৭৩ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৯০ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ১৩ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় দুজন, কার্যবিধির ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৪০ জন, পরোয়ানামূলে ৯৯ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া মাদক মামলায় ৭১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে দুজন মাদক বহনকারী ও ৬৯ জন মাদকসেবী। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে আরও ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৭ হাজার ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩১টি মাদক মামলা করা হয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ৮৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২৪৮ লিটার ৫০০ মিলিলিটার চোলাইমদ, ১৪ কেজি ৫৫০ গ্রাম গাঁজা, চারটি গাঁজাগাছ, চারটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ছয় বোতল বিদেশি মদ।
এদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের ২১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় ৯ জন, চট্টগ্রামে তিনজন, চাঁদপুরে তিনজন, নোয়াখালীতে চারজন, কক্সবাজারে একজন ও রাঙামাটিতে একজন রয়েছেন।
কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক করা হয়েছে ১৪৪ জনকে। তাদের মধ্যে ১০৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের মধ্যে চট্টগ্রামে ৩৪ জন, কক্সবাজারে ১২ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৯ জন, চাঁদপুরে ২৫ জন, নোয়াখালীতে ১৬ জন, লক্ষ্মীপুরে ৯ জন, রাঙামাটিতে ৫ জন ও খাগড়াছড়িতে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
জনস্বার্থে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



























