রোববার ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:০০, ১ নভেম্বর ২০২৬

আজ জাতীয় যুব দিবস, যুব পুরস্কার পাচ্ছেন ১৪জন

আজ জাতীয় যুব দিবস, যুব পুরস্কার পাচ্ছেন ১৪জন
ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় যুব দিবস আজ। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৪ জনকে জাতীয় যুব পুরস্কার দেওয়া হবে। আজ ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবসের মূল অনুষ্ঠানে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এবারের জাতীয় যুব দিবস উদযাপন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে চারজন সংগঠক ও ১০ জন সফল আত্মকর্মীসহ মোট ১৪ জনকে জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬ দেওয়া হবে।

আজ সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় যুব দিবসের মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। এতে রাষ্ট্রপতি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যুব দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে ১২ হাজার নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।

যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ১ নভেম্বর ৫৫টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ মেলার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর মধ্যে মেলার দিনই অন্তত ১০০ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি দেওয়া হবে। এখানে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে। যাদের ইতিমধ্যে আমরা জব দেওয়ার জন্য জব ফেয়ারের মাধ্যমে সেটা আমরা নিশ্চিত করেছি।

সরকারের যুববান্ধব বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, যুব ঋণ ও প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুবসমাজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদী আমিনুল হক।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার প্রায় ২৯ শতাংশ। শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার প্রায় ৩৬ শতাংশ। দেশে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৫৪ হাজারের বেশি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার হচ্ছে কর্মসংস্থান। এবং সেই কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে আমরা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়েছি, যেটা ইতিমধ্যে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, ফ্রিল্যান্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি এবং কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেয়ারগিভার হিসেবে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দেশে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভাষা প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আমিনুল হক বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি যে দেশেই আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে কেয়ারগিভারের যে সার্ভিসটি বা কেয়ারগিভারের যে প্রশিক্ষণটি, এটাকে সফলভাবে যদি আমরা করতে পারি, তাহলে আমরা বিভিন্ন দেশে এই কেয়ারগিভারের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের পাঠাতে পারব।”

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়ার একটি কোম্পানি এবং সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আগ্রহ দেখানো হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত।

জনপ্রিয়