৩য় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায় না ফ্রান্স-ইংল্যান্ড!
সেমিফাইনালে হেরে আশা ভঙ্গ হয়েছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের। তাই আজ শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে সাত্ত্বনাসূচক তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে দল দুটি। কিন্তু এই দুই দলের কেউই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায়নি।
ফ্রান্স ছিল বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম ফেভারিট। আর ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটানোর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।
কিন্তু সেমিফাইনালে হারের ফলে দুই দলই তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে থেমে যায়। ফলে রোববার ফাইনালে (যেখানে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন) খেলার পরিবর্তে, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী সান্ত্বনা ম্যাচে একে অপরের মুখোমুখি হবে।
ফ্রান্সের ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে বলেন, আমাদের কেউই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এই ম্যাচটি খেলতে চাইনি। তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের সামনে খেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। তাই আমরা এই ম্যাচটির অপেক্ষায় আছি, দেখা যাক কী হয়। ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেলও এ নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, এই ম্যাচে থাকতে কেউই চায় না।
তিনি বলেন, এই চারটি দলের প্রত্যেকেই নিউইয়র্কে (ফাইনালে) থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু এটি বিশ্বকাপের একটি আনুষ্ঠানিক ম্যাচ। ইংল্যান্ডের জন্য গত ৬০ বছরের মধ্যে সেরা ফল অর্জনের এটি একটি সুযোগ। মানসিকতা এমন কিছু নয়, যা ইচ্ছেমতো চালু বা বন্ধ করা যায়। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে আমরা যেমন চরিত্র দেখিয়েছি, এখন সেটাই আবার প্রমাণ করার সময়।
এদিকে, ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনে এখনও গোল্ডেন বুট জয়ের সুযোগ রয়েছে। এমবাপ্পে এখন পর্যন্ত ৮টি গোল করেছেন, যা আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির সমান এবং দুজনই যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা। তবে টাইব্রেকারে মেসি এগিয়ে আছেন, কারণ তার ৪টি অ্যাসিস্ট রয়েছে, যেখানে এমবাপ্পের অ্যাসিস্ট ৩টি। ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামও ৬টি করে গোল নিয়ে এই দৌড়ে রয়েছেন।



























