বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:৫০, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনে তিনদিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল চলাচল

নির্বাচনে তিনদিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল চলাচল
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিন বা ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাশাপাশি ভোটের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যান ও ট্যাক্সিক্যাবসহ চার ধরনের যানবাহন ২৪ ঘণ্টার জন্য চলাচল বন্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সড়ক পরিবহন সচিবের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

তবে নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের যানবাহন। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক, জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী বহনকারী যানবাহন এবং সংবাদপত্র পরিবহনকারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বিমানবন্দরে যাত্রী আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত যানবাহন নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট যাত্রী বা স্বজনকে টিকিট বা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ দেখাতে হবে। পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন এবং দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাবে।

এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং তাঁর নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি ছোট যানবাহন (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও যথাযথ নিয়োগপত্র সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেলও নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন নিয়ে চলাচল করতে পারবে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনসাপেক্ষে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি এবং বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনও এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এছাড়া জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা, আন্তঃজেলা ও মহানগরে প্রবেশ ও বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক এবং প্রধান সড়কের সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে বলে নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ