পথচারী শিশুদের শিক্ষার জন্য জবি শিক্ষার্থীদের নতুন উদ্যোগ
আজ ৭ ই আগষ্ট ভিক্টোরিয়া পার্কে,পথচারী শিশুদের শিক্ষার এক ভিন্ন ধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করছে একদল জবি শিক্ষার্থী।পথচারী শিশুদের শিক্ষার জন্য তারা এ ভিন্ন ধর্মী কার্যক্রম শুরু করে।
এ বিষয় এ, জবির ২১ ব্যাচের,নৃবিজ্ঞান বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী, অনিরুদ্ধ রায় বলেন, একটি শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়া মানে শুধু তাকে পড়তে শেখানো নয়; বরং তার সামনে একটি নতুন পৃথিবীর দরজা খুলে দেওয়া। সেই বিশ্বাস থেকেই ‘Save the Tomorrow’-এর সঙ্গে আমাদের এই পথচলা।
সমাজের বাস্তবতায় অনেক শিশুর স্বপ্ন থেমে যায় অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে। আমরা হয়তো একদিনে সেই বাস্তবতা বদলে দিতে পারব না, কিন্তু একটি শিশুর পাশে দাঁড়িয়ে তার স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করতে পারি। আমাদের কাছে সেটিই পরিবর্তনের শুরু।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা শুধু নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে চাই না; আমাদের চারপাশের শিশুদের ভবিষ্যতের প্রতিও কিছুটা দায়িত্ব নিতে চাই। আমাদের সময়, শ্রম ও সামান্য প্রচেষ্টা যদি একজন শিশুকেও নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায়, তাহলেই এই উদ্যোগ সার্থক।
‘Save the Tomorrow’ শুধু একটি স্কুল নয়—এটি আমাদের বিশ্বাস, আগামী দিনের জন্য আজ থেকেই কিছু করার একটি ছোট্ট প্রচেষ্টা। পথটা দীর্ঘ, সীমাবদ্ধতাও থাকবে; তবুও আমরা চাই, আমাদের এই ছোট উদ্যোগ একদিন অনেক শিশুর জীবনে বড় পরিবর্তনের কারণ হয়ে উঠুক।
এ বিষয় এ আরও বিস্তারিত জানান, জবির ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী,রিয়াদ হাসান, তিনি জানান, "একজন শিশুও যেন শুধু দারিদ্র্যের কারণে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়—এই স্বপ্ন নিয়েই আমাদের 'Save the Tomorrow' স্কুলের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের জুলাই মাসে। মাঝখানে বিভিন্ন সমস্যার কারণে কিছু সময় স্থগিত ছিল।আজকে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একগুচ্ছ মেধাবী শিক্ষার্থী নিয়ে আবারো স্কুল টির যাত্রা শুরু করি। আজকের এই কার্যক্রমে যারা সময়, শ্রম ও ভালোবাসা দিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি শিশুর হাতে একটি বই তুলে দেওয়া মানে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার ভিত্তি তৈরি করা। সমাজের সকলের সহযোগিতায় আমরা এই উদ্যোগকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।"



























