রোববার ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:০৮, ১ নভেম্বর ২০২৬

ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিন, নয়তো ক্ষমতা ছাড়ার পথ বেছে নেন: এস এম ফরহাদ

ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিন, নয়তো ক্ষমতা ছাড়ার পথ বেছে নেন: এস এম ফরহাদ
ছবিঃ প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেছেন, “হয় ডাকসু, রাকসু, জাকসু ও জকসু নির্বাচন দেবেন, নয়তো ক্ষমতা ছাড়ার পথ নিজ দায়িত্বে বেছে নেবেন। যেকোনো একটি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার নষ্ট করে, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে সংসদে গণতন্ত্রের বয়ান দেবেন—এ বক্তব্য আমরা মেনে নেব না।”

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ১০টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্র সংসদগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করার বিষয়ে এস এম ফরহাদ বলেন, “ডাকসু, রাকসু, জাকসু ও জকসুর মেয়াদ শেষ হলো, কিন্তু তফসিল দেওয়া হচ্ছে না। কারণ, তারা জানে, তাদের চাঁদাবাজ বাহিনী, তাদের রক্ষীবাহিনী এই নির্বাচনে আগের মতো গোহারা হারবে। সুতরাং, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কমিটমেন্ট নিতে হবে যে, ক্ষমতায় যে-ই থাকুক বা না থাকুক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন অবশ্যই দিতে হবে।”

সরকারি নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, “সরকার দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়ার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তার প্রথম কয়েকটি ধাপে তারা ব্যর্থ হয়েছে। সর্বশেষ বিসিএসে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু চাকসু, জাকসু, ডাকসু ও রাকসু যখন রাস্তায় নেমেছে, তখন তারা সেখান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে। এখন তারা পাঁয়তারা করছে, কীভাবে নানা কারিকুলামের মাধ্যমে সেখানে দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া যায়।”

তিনি আরও বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, এখানকার ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতেই হবে। বিএনপি ১৯৯০ সালে ক্ষমতায় এসে পাঁচ বছর বাংলাদেশে কোনো ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেয়নি। কেন দেয়নি? কারণ, তারা শিক্ষার্থীদের ভোটকে ভয় পায়। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর ভোটকে তারা ভয় পায়, তরুণ প্রজন্মের ভোটকে তারা ভয় পায়।”

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি আবু সাদিক কায়েম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (চাকসু) সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ঢাকা ৪-এর এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আবু মুসা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফিসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়