শনিবার ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৪৮, ২৮ মার্চ ২০২৬

বলিউডের স্বজনপ্রীতিতে কাজ হারান কৃতি শ্যানন

বলিউডের স্বজনপ্রীতিতে কাজ হারান কৃতি শ্যানন
ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের ঝলমলে আলো আর তার আড়ালের কঠিন বাস্তবতা—এই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে নিজের সংগ্রামের গল্প শোনালেন কৃতি শ্যানন। একজন বহিরাগত হিসেবে জায়গা করে নেওয়ার লড়াই, স্বজনপোষণ এবং বারবার বাধার মুখে পড়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানিয়েছেন, এই পথ তার জন্য মোটেও সহজ ছিল না।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কৃতি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে একাধিক সিনেমায় প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কারণ, সেই জায়গায় সুযোগ দেওয়া হয়েছে তারকা সন্তানদের। বলিউডের অন্দরমহলের এই অভিজ্ঞতা তার কাছে ছিল বেশ তিক্ত।

কৃতি বলেন, স্বজনপ্রীতি বা নেপোটিজম বলিউডে শুধু আলোচনার বিষয় নয়, এটি একটি বাস্তবতা। তিনি স্মৃতিচারণ করে জানান, এমন অনেক সময় গেছে যখন কোনো সিনেমায় তাকে প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে প্রভাবশালী পরিবারের কারও সন্তানের জন্য তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

তার মতে, এই বৈষম্য শুধু চলচ্চিত্র জগতেই নয়, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই রয়েছে। তবে শোবিজ অঙ্গনে এটি আরও বেশি দৃশ্যমান। যেখানে একজন বহিরাগতকে বারবার নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়, সেখানে তারকা সন্তানদের জন্য পথটা অনেকটাই সহজ হয়ে থাকে।

বড় প্রযোজনা সংস্থাগুলোও অনেক সময় পরিচিত মুখ বা স্টারকিডদের নিয়েই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। কৃতির ভাষায়, একজন আউটসাইডারের জন্য একটি সিনেমা ফ্লপ হওয়া মানে ক্যারিয়ারে বড় ধাক্কা, কিন্তু স্টারকিডরা বারবার সুযোগ পেয়ে যান।

তবে এত বাধা-বিপত্তির মাঝেও দমে যাননি কৃতি শ্যানন। নিজের প্রতিভা ও পরিশ্রম দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—সুযোগ পেলে বহিরাগতরাও নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেন। বরেলি কি বরফি, মিমি এবং তেরি বাতোঁ মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দর্শকদের মন জয় করেছেন।

বিশেষ করে ‘মিমি’ সিনেমায় অসাধারণ অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সর্বশেষ