সোমবার ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৩২, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

ভেনেজুয়েলার অভিযান মার্কিন ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন : মামদানি

ভেনেজুয়েলার অভিযান মার্কিন ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন : মামদানি
ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার সরকার পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।

মেয়র মামদানি জানান, প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে আটকের পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং এই অভিযানের প্রতি নিজের বিরোধিতার কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তবে এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তা জানা যায়নি।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মামদানি লেখেন, “আজ (শনিবার) সকালে আমাকে জানানো হয়েছে যে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন সেনাবাহিনী আটক করেছে এবং তাঁদের নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল হেফাজতে রাখা হবে। একতরফাভাবে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর হামলা চালানো কার্যত যুদ্ধের সমতুল্য এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন ও আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।”

তিনি আরও বলেন, “সরকার পরিবর্তনের এই নির্লজ্জ প্রচেষ্টা শুধু বিদেশি জনগণের ওপরই প্রভাব ফেলে না, বরং এর সরাসরি প্রভাব পড়ে নিউইয়র্ক সিটির বাসিন্দাদের ওপর। লক্ষাধিক ভেনেজুয়েলান এই শহরে বসবাস করেন এবং নিউইয়র্ককেই নিজেদের ঘর বলে মনে করেন।”

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে মামদানি বলেন, “আমার প্রধান লক্ষ্য নিউইয়র্কের প্রতিটি বাসিন্দার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমার নেতৃত্বাধীন প্রশাসন সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশনা দেবে।”

এদিকে শনিবার গভীর রাতে স্থানীয় সময় ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বিমান বাহিনী। পরে তাঁদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মাত্র চার দিন আগেই তিনি এই অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিলেন।

জনপ্রিয়