রোববার ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:১৫, ১৯ জুলাই ২০২৬

ইরান যুদ্ধে ১৬ মার্কিন সেনা নিহত

ইরান যুদ্ধে ১৬ মার্কিন সেনা নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। জর্ডানে সাম্প্রতিক ইরানি হামলায় নতুন করে হতাহতের পর এই মোট সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৩০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

মার্কিন সামরিক সূত্রের বরাতে রোববার (১৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

তথ্য অনুযায়ী, গত ১ মার্চ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপর প্রথম মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনা ঘটে। ওই দিন কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে ইরানের একটি ড্রোন আঘাত হানলে ঘটনাস্থলে ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন।

একই দিনে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে চালানো অপর এক ইরানি হামলায় গুরুতর আহত হন আরও একজন মার্কিন সেনা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পর তিনি মারা যান, যা নিহতের সংখ্যা সাতে নিয়ে যায়।

পরে গত ১২ মার্চ ইরাকে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনায় সহায়তাকারী একটি কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় আরও ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনার জেরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এটি শত্রু বা নিজেদের কোনো পক্ষের গুলিবর্ষণের কারণে ঘটেনি নিশ্চিত করেছে তারা।

এছাড়া, গত ১ জুলাই আরব সাগরে একটি মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নৌবাহিনীর একজন পাইলট প্রাণ হারান। মার্কিন নৌবাহিনী এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্পষ্ট করেছে, হেলিকপ্টারটি শত্রুপক্ষের কোনো আক্রমণের কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে এমন কোনো প্রমাণ বা ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ শুক্রবার (১৭ জুলাই) জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও এক মার্কিন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জর্ডানে মার্কিন ও তার মিত্র বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত আরও চার মার্কিন সেনাকে জর্ডানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ইরানের ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) দায়ী করেছে। এ সৈন্য নিহতের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে রাতভর হামলা চালিয়েছে। এ নিয়ে নতুন করে শুরু হওয়া উত্তেজনায় অষ্টম দিনের মতো হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

জনপ্রিয়