রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়া মানেই নাগরিকত্ব নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক—এ কথা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, অতীতে অনিয়মের কারণে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়া হলেও তা কখনোই নাগরিকত্বের স্বীকৃতি নয়।
মঙ্গলবার ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
একই সঙ্গে তিনি আশ্বস্ত করেন, পাসপোর্ট সংক্রান্ত কারিগরি জটিলতা বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রায় ১৩ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, অতীতের ভুল ও দুর্নীতির কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোহিঙ্গা হাতে লেখা বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশে ভ্রমণ করেছেন। সরকার এ ধরনের পাসপোর্ট ইস্যু বন্ধের চেষ্টা করলেও বিভিন্ন বাস্তব কারণে বর্তমানে সেগুলো নবায়ন করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা এই পাসপোর্টগুলো ইস্যু বা নবায়ন না করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু আমাদের নিজস্ব স্বার্থেই এটি করতে বাধ্য হচ্ছি। তবে এটিকে নাগরিকত্ব প্রদান হিসেবে যেন ভুল ব্যাখ্যা করা না হয়।”
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, পাসপোর্ট ইস্যু করা মানেই জাতীয়তা নিশ্চিত করা নয়। বিশ্বের অনেক দেশই অ-নাগরিকদের ট্রাভেল ডকুমেন্ট প্রদান করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
রোহিঙ্গাদের পরিচয় সম্পর্কে তৌহিদ হোসেন বলেন,
“রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চলের মানুষ, এবং আমরা তাদের সেইভাবেই বিবেচনা করছি।”



























