র্যাব ও ডিজিএফআইয়ের বিলুপ্তি চাইলেন ইকবাল করিম ভূঁইয়া
গুম, খুন ও আয়না ঘরের সংস্কৃতি সৃষ্টি করার দায়ে র্যাব ও ডিজিএফআই বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইঁয়া।
ডিজিএফআইয়ের হাতে গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি এ দাবি জানান।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ এর দুই সদস্যের বেঞ্চে অপর সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ।
জেনারেল ইকবাল করিম বলেন, “আমি মনে করি, র্যাব অবিলম্বে বিলুপ্ত করা দরকার। সেটি সম্ভব না হলে র্যাব থেকে সেনাসদস্যদের সামরিক বাহিনীতে ফেরত আনা হোক।”
তিনি বলেন, “আমি আরও চাই, ডিজিএফআইও বিলুপ্ত করা হউক। কারণ এই সংগঠনটি হত্যার মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেওয়ার পর ঠিক থাকার বৈধতা হারিয়েছে।”
ইকবাল করিম ভূঁইয়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০১২ সালের ২৫ জুন থেকে ২০১৫ সালের ২৫ জুন পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
তার জবানবন্দির মাধ্যমে গতকাল রোববার এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সোমবার তার সাক্ষ্য শেষ হওয়ার পর আংশিক জেরা হয়েছে। পরবর্তী জেরার জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন রেখেছে ট্রাইব্যুনাল।
র্যাবে গিয়ে সেনা কর্মকর্তারা কীভাবে মানুষ হত্যার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়তো, তা সাক্ষ্যে তুলে ধরেন সেনাপ্রধান।
সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া ঘটনা তুলে ধরার বিষয়ে তিনি বলেন, গৌরব ও সম্মানের আড়ালে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা অপকর্ম করে পার পাওয়ার যে মানসিকতা, তা দূর করতে হবে।
আওয়ামী লীগের আমলে ১০৪ জনকে গুম করে হত্যার অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য সাক্ষ্য দেন সাবেক সেনা প্রধান ইকবাল করিম ভূইয়া।



























