যুবদলের ৫ নেতা বহিষ্কার
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আওতাধীন নিউমার্কেট থানার পাঁচ নেতাকে পেশিশক্তি প্রদর্শনপূর্বক জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির সুস্পষ্ট অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি জানানো হয়।
বহিষ্কৃতরা হলেন- নিউমার্কেট থানার সদস্য সচিব কে এম চঞ্চল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব, ১৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সচিব শাহাদাত, যুগ্ম আহ্বায়ক ইফতেখার ও সুমনকে (চায়না সুমন)
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পেশিশক্তি প্রদর্শনপূর্বক জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির সুস্পষ্ট অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আওতাধীন নিউমার্কেট থানার সদস্য সচিব কে এম চঞ্চল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব, ১৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সচিব শাহাদাত, যুগ্ম আহ্বায়ক ইফতেখার ও সুমনকে (চায়না সুমন) প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা প্রদান এবং দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজিসহ যে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া বহিষ্কৃতদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর নিউমার্কেটের বলাকা সিনেমা হলের সামনে বিভিন্ন দোকান ও ভ্যানগাড়ি থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ ওঠে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে. এম. চঞ্চলের অনুসারী সোহেল ও আজিম ওরফে ‘গুণ্ডা আজিমের’ বিরুদ্ধে। এ সময় খবর পেয়ে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের কয়েকজন সেখানে গিয়ে চাঁদা তুলতে বাধা দেন।
পরবর্তীকালে বিষয়টি জানতে পেরে যুবদল নেতা কে এম চঞ্চল সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জন অনুসারী নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তাদের ওপর ধারালো ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের অন্তত দশজন আহত হন।
অন্যদিকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রদলের পাঁচজন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
বহিষ্কৃতরা হলেন- ঢাকা কলেজ শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলহাস মৃধা, যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন শিকদার, প্রিন্স খন্দকার, সদস্য সাগর খান এবং মির্জা গোলাম রায়হান।



























