শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ইসলাম ডেস্ক :

প্রকাশিত: ১৭:৫৯, ২০ মে ২০২৪

হজের গুরুত্ব ও ফজিলত

হজের গুরুত্ব ও ফজিলত
সংগৃহীত

হজ ইসলামের অন্যতম রোকন ও ফরজ বিধান। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। মহান আল্লাহর নৈকট্যলাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো হজ। হাদিসে হজের অসংখ্য সওয়াব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। নিচে হজ কী, হজের কাজগুলো কী, কার ওপর ফরজ, হজের গুরুত্ব-ফজিলত ও না করলে পরিণাম কী—বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

হজ আরবি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ হলো সংকল্প করা, সফর করা। পরিভাষায়- নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট কার্যাবলীর মাধ্যমে বায়তুল্লাহ শরিফ জেয়ারত করাকে হজ বলা হয়। হজের গুরুত্ব ও ফজিলত।

হজের নির্দিষ্ট সময় হলো- আশহুরে হুরুম তথা শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজের প্রথম ১০ দিন; বিশেষত জিলহজের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত পাঁচ দিন। এ পাঁচ দিনই মূলত হজ পালন করা হয়। হজের নির্ধারিত স্থান হলো পবিত্র কাবা, সাফা-মারওয়া, মিনা, আরাফা ও মুজদালিফা। দূরবর্তী হাজিদের জন্য মদিনা মুনাওয়ারায় রাসুল (স.)-এর রওজা জেয়ারত করা ওয়াজিব। (আসান ফিকাহ, খণ্ড: ০২, পৃষ্ঠা-২৫১)

হজের কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে ইহরাম, তালবিয়া, তাওয়াফ ও সায়ি, অকুফে আরাফাহ, অকুফে মুজদালিফা, অকুফে মিনা, কংকর নিক্ষেপ, দম ও কোরবানি, হলক ও কছর এবং জিয়ারতে মদিনা-রওজাতুর রাসুল ইত্যাদি।

হজের বিধান :

হজ আল্লাহর ফরজ বিধান। ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের ওপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা ফরজ’ (সুরা আলে ইমরান: ৯৭)।  রাসুল (স.) বলেন, ‘লোকসকল! আল্লাহ তাআলা তোমাদের ওপর হজ ফরজ করেছেন।’ আকরা ইবনে হাবিস (রা.) দাঁড়িয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এটা কি প্রত্যেক বছর ফরজ?’ উত্তরে রাসুল (স.) বললেন—

‘আমি যদি হ্যাঁ বলতাম, তবে ফরজ হয়ে যেত। আর প্রতি বছর হজ ফরজ হলে তা তোমরা সম্পাদন করতে সক্ষম হতে না? হজ জীবনে একবারই ফরজ। কেউ যদি একাধিকবার করে, তবে তা হবে নফল হজ।’(বুখারি: ৭২৮৮)

যাদের ওপর হজ ফরজ, যত দ্রুত সম্ভব হজ আদায় করা উত্তম। যেখানে মানুষের জীবন-মরণের এক সেকেন্ডের নিশ্চয়তা নেই, সেখানে এক বছর অনেক দীর্ঘ সময়। তাই রাসুল (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি হজ করার ইচ্ছে করেছে, সে যেন তাড়াতাড়ি তা করে নেয়।’ (সুনানে আবু দাউদ: ১৭৩২)

সম্পর্কিত বিষয়:

জনপ্রিয়