‘ড. ইউনূস ও উপদেষ্টামণ্ডলীর কেউই সসম্মানে বিদায় নিতে পারেনি’
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টামণ্ডলীর কেউই সসম্মানে বিদায় নিতে পারেনি।
তার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক ভিডিও আলোচনায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
গোলাম মাওলা রনির দাবি, দেখলাম ড. ইউনূস চলে যাচ্ছেন, তার হাতে একটা ব্রিফকেস—এটা আগের না বর্তমানের তা আমি বলতে পারবো না কিন্তু ঘটনা যে এরকমই ঘটেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। মানুষ এটাকে গ্রহণ করেছে। মানুষ এটাকে নিয়ে বলাবলি করছে যে, যমুনা থেকে তাকে আসলে ওইভাবেই বিদায় নিতে হয়েছে।
কেউ তাকে বিদায় জানায়নি। তার ব্যাগটাও গাড়িতে কেউ তুলে দেয়নি। তিনি খালি হাতে, শূন্য হাতে সেখান থেকে বিদায় নিয়েছেন।
তিনি একই অবস্থা তার প্রচণ্ড প্রতাপশালী উপদেষ্টামণ্ডলীর কেউ সম্মানে বিদায় নিতে পারেনি।
ফকিরের মতো, মিসকিনের মতো যার যার মন্ত্রণালয় থেকে তারা বিদায় নিয়ে আসছেন। তারা যখন বিদায় নিচ্ছিলেন কর্মকর্তারা হয়তো মনে মনে তাদের গালি দিয়েছে।
রনি বলেন, তারা মানুষের যে বিশ্বাস পেয়েছিল, আস্থা পেয়েছিল, সে বিশ্বাস এবং আস্থার মর্যাদা তারা রাখেনি। আর আল্লাহ তাদেরকে যে নেয়ামত দিয়েছিল সেটা শুকরগুজার তারা করেননি।
তিনি বলেন, ড. ইউনূসের ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম ৬০ দিন ছিল স্বর্ণ সময়। তিনি যেখানে হাত দিতেন সেখানে সোনা হয়ে উঠতো। তিনি যা বলতেন মানুষ তা শুনতো। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে আসার পর প্রথম ৬০ দিন যেমন ছিল ড. ইউনূসের প্রথম ৬০ দিন তেমন ছিল। ড. ইউনূস যদি বুদ্ধি করতেন তিনি জাতির পিতা না হলেও জনগণের পিতা হতে পারতেন।
জনগণ তাকে বাপু হিসেবে ডাকতো। যেটা মহাত্মা গান্ধিকে ডাকে। ভারতীয়দের বাপু। বাংলাদেশিদের বাপু হতেন যদি উনি সফল হতেন।



























