গুম হওয়া মানুষের কণ্ঠস্বর হতে চান জবি শিক্ষার্থী নুসরাত
স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সময়ে গুম হওয়া মানুষ ও নির্যাতিত পরিবারের পক্ষে কণ্ঠস্বর হতে চান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)-এর শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান লাবনী। তিনি গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অবদান রাখছেন।
নুসরাত জাহান লাবনী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম রাসেলের ছোট বোন এবং ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের অন্যতম সমন্বয়ক।
ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলাম ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারের সময়ে গুম হয়েছিলেন।
নুসরাত জাহান গুম ও হত্যার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। ফ্যাসিবাদী শাসনের ভয়ভীতি ও দমন-পীড়ন উপেক্ষা করেই তিনি নির্যাতিত পরিবারগুলোর ন্যায্য অধিকার আদায়ে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
নির্যাতিত পরিবারগুলোর প্রতি রাজনৈতিক স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্যাতিত পরিবারের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে তাকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেবেন।
তিনি বলেন, “গুম হওয়া মানুষদের আর্তনাদ যেন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছে এই লক্ষ্যেই আমার রাজনীতি ও আন্দোলন। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত এই সংগ্রাম চলবে।”



























