বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২

বাকৃবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:০৭, ২৬ মার্চ ২০২৬

বাকৃবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

বাকৃবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
ছবি: সংগৃহীত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) উদযাপিত হয়েছে ৫৬তম মহান স্বাধীনতা দিবস। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

দিবসের শুরুতে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে শিশু-কিশোরদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠন অংশগ্রহণ করে।

 বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

এদিকে বাকৃবি শিক্ষক সমিতির আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারের সঞ্চালনায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কমপ্লেক্স, আবাসিক হলসমূহ এবং বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে প্রীতি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, আজকের এই দিনটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের আহ্বানে শুরু হওয়া মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

উপাচার্য আরও বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগী ছাত্র-জনতার অবদান আমাদের জাতির ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁদের ত্যাগের মাধ্যমেই দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে এবং বাকস্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সর্বশেষ