কখনো বলিনি, আর অভিনয় করব না : হাসান মাসুদ
সাম্প্রতিক এক মন্তব্য ঘিরে চর্চায় রয়েছেন অভিনেতা হাসান মাসুদ। এক অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে জানান, আপাতত অভিনয় করছেন না। হজ করে এসে এখন ধর্মকর্মেই মনোযোগী।
এ বক্তব্যের সূত্র ধরে সমালোচনার শিকারও হচ্ছিলেন অভিনেতা। আবার অনেকেই মনে করছেন, তিনি আর অভিনয় করবেন না। একেবারেই সরে গেছেন।
তবে বিষয়টি তেমন নয় বলে জানালেন হাসান মাসুদ। এক গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘ওই কথাটা বলা আমার ভুল হয়েছে। আমি বলেছিলাম, দুই বছর ধরে অভিনয় করছি না এবং মাঝেমধ্যে বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করি। এই মুহূর্তে ভালো কনটেন্টও তেমন নেই। কিন্তু আমি কখনো বলিনি যে, আর অভিনয় করব না।’
হাসান মাসুদ এ-ও নিশ্চিত করলেন, ভালো গল্প পেলে এখনো তিনি অভিনয় করতে চান। আর অভিনয়ের সঙ্গে ধর্মচর্চার বিষয়টিকে সাংঘর্ষিক বলেও মনে করেন না তিনি। তার ভাষ্য, “আপনি ধর্ম পালন করতে পারেন, আবার শুটিং সেটেও নামাজ পড়তে পারেন। গত চার-পাঁচ বছরে যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, তারা সবাই জানেন যে আমি ২০০০ সাল থেকে নিয়মিত নামাজ পড়ি। শুটিংয়ের সময় সবাই আমাকে নামাজ পড়ার জন্য বিরতি দিতেন। আমি চেষ্টা করতাম ওই সময়ে যেন আমার কোনো দৃশ্যের শুটিং না থাকে। পরবর্তী সময়ে পরিচালকরাই বলতেন, ‘বিরতির সময় হয়েছে হাসান ভাই। যান, নামাজ পড়ে আসেন।’ এভাবেই চলত।”
একসময়ের জনপ্রিয় এ অভিনেতা জানান, হজ করে আসার পর দুটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করেছেন। পছন্দসই কাজ পেলে সামনেও করবেন।
উল্লেখ্য, সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে পথচলা শুরু করেছিলেন হাসান মাসুদ। পরে অবসর নিয়ে আসেন সাংবাদিকতায়। ২০০৩ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন তিনি। এরপর নাটকেও নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেন। তার অভিনীত জনপ্রিয় কিছু নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘হাউসফুল’, ‘এফডিসি’, ‘গ্র্যাজুয়েট’, ‘রঙের দুনিয়া’, ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’, ‘খুনসুটি’ ইত্যাদি। গানও করেছেন তিনি। ২০০৬ সালে তার গানের অ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছিল।



























