গাজায় তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কেনো স্থান নেই: নেতানিয়াহু
যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় গঠিত হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গত বছর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমানে ওই চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে। এই ধাপের অংশ হিসেবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের সেনারা অংশ নেবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা এখন ট্রাম্প পরিকল্পনার অধীনে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছি। এই ধাপের মূল লক্ষ্য একটাই—হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজা উপত্যকাকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করা।”
আন্তর্জাতিক বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের ভূমিকা নাকচ করে তিনি আরও বলেন, “গাজায় তুরস্ক বা কাতারের কোনো সেনা মোতায়েনের প্রশ্নই ওঠে না।”
তবে গাজায় ঠিক কোন কোন দেশ সেনা পাঠাবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। সম্ভাব্য এই আন্তর্জাতিক বাহিনীর দায়িত্ব হবে গাজার বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি নতুন পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া, যারা ভবিষ্যতে হামাসের পরিবর্তে নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক বাহিনীর নেতৃত্বে দেশটির সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্সকে নিয়োগ দিয়েছেন।
সূত্র: আল আরাবিয়া



























