বুধবার ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫০, ৫ জানুয়ারি ২০২৬

খালেদা জিয়া দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ভিত গড়েছিলেন : মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়া দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ভিত গড়েছিলেন : মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “বেগম খালেদা জিয়া দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ভিত গড়েছিলেন। তাঁর অবিচল নিষ্ঠা, দূরদর্শিতা এবং যুগান্তকারী দিকনির্দেশনা এই ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।”

সোমবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ এবং ব্যবসায়ীদের আরও ১৭টি সংগঠন যৌথভাবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন আপসহীন ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি কেবল গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক নন, বরং বাংলাদেশের আধুনিক বাজারভিত্তিক অর্থনীতির অন্যতম রূপকার। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় তিনি একটি স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “অর্থনৈতিক খাতে খালেদা জিয়ার অবিচল নিষ্ঠা, দূরদর্শিতা এবং যুগান্তকারী দিকনির্দেশনা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ব্যক্তিখাত ও প্রাইভেট খাতে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, তা তিনি ধারণ করে দেশকে ধনী-দরিদ্র সবার জন্য সামগ্রিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছেন।”

বেগম খালেদা জিয়া প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসা দূরে রেখে সকলকে নিয়ে ঐক্য ও ভালোবাসার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনের বার্তা দিয়েছেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, আমাদের কাছে বেগম খালেদা জিয়া একজন সত্যিকার আইকন। সাধারণ মানুষ তাঁর মধ্যে নিজেদের বাংলাদেশকে দেখেছে এবং তাদের ভবিষ্যৎকে অনুভব করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান কখনো অস্বীকার করা যাবে না। তিনি কষ্ট সহ্য করেছেন, জেলে গেছেন। আমি তাঁর কোনো তুলনা পাই না। কারণ, তিনি একদিকে রাজনৈতিক দলের নেত্রী, অন্যদিকে গোটা জাতির নেত্রী। তিনি কখনো সংকীর্ণতায় ভুগেননি।”

বিএনপি মহাসচিবের শেষ মন্তব্য ছিল, “বেগম খালেদা জিয়া আজ আমাদের মাঝে নেই। তিনি ফিরে আসবেন না। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া কাজ ও স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে আমাদের অবিরাম চেষ্টা চালাতে হবে।”

জনপ্রিয়