বৃহস্পতিবার ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:০৩, ৬ জানুয়ারি ২০২৬

ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ মোট ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া অপর ব্যক্তিরা হলেন— সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. আব্দুল জলিল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক অর্থ ও সিএজি সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, এসডিজি বিষয়ক সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক ও সাবেক সদস্য (সচিব) মিজ জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ১০৬তম ও ১০৭তম সভায় (২০১৮) উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট জমিতে ব্যক্তিস্বার্থে ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয় এবং নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুমোদনে গুরুতর অনিয়ম করা হয়।

এ ছাড়া অনুমোদিত নীতিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ না করেই সেই নীতির আলোকে ফ্ল্যাট বরাদ্দের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এসব ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, তদন্তকালে জানা গেছে—আসামিরা সপরিবারে দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে চলে গেলে তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ একান্ত প্রয়োজন।

জনপ্রিয়