রোববার ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:৫৬, ২২ মার্চ ২০২৬

কূটনীতিককে জড়িয়ে ধরায় জামায়াত আমিরকে ট্রল, দল বলছে ‘হৃদ্যতা’

কূটনীতিককে জড়িয়ে ধরায় জামায়াত আমিরকে ট্রল, দল বলছে ‘হৃদ্যতা’
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি কূটনীতিককে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে—কেউ এটিকে ট্রলের বিষয় বানাচ্ছেন, আবার কেউ দেখছেন স্বাভাবিক সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ হিসেবে।

জানা গেছে, শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের আয়োজন করা হয়। এতে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত, জাপান, ব্রুনেই, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, পাকিস্তান, নেপাল, নেদারল্যান্ডস ও ভুটানের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা অংশ নেন। অনেকেই পরিবার-পরিজনসহ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ইউনিসেফ এবং ইউএন ওমেন-এর প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একপর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান অতিথিদের সঙ্গে আড্ডা ও খুনসুটিতে মেতে ওঠেন। তিনি অনেকের সঙ্গে কোলাকুলি করেন, কারও কপালে চুমু দেন এবং খাবার টেবিলে বসা এক কূটনীতিককে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেন। উপস্থিত কূটনীতিকদেরও এ সময় বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা যায়।

তবে বিকাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ভিন্নধর্মী আলোচনা। একদল ব্যবহারকারী ভিডিওটি শেয়ার করে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন, অন্যদিকে আরেকদল এটিকে প্রাণবন্ত ও আন্তরিক মুহূর্ত হিসেবে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছেন।

এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবেই দেখার মতো। 

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “ঈদের আনন্দ তো এমন হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশেই প্রকাশ পায়। আমাদের আমির কূটনীতিকদের সঙ্গে রসিকতা ও হাসিঠাট্টার মাধ্যমে আনন্দ ভাগাভাগি করতে চেয়েছেন, এবং তারাও তা উপভোগ করেছেন। বিষয়টিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়। তবে যদি কোথাও দৃষ্টিকটু বা বেমানান কিছু হয়ে থাকে, ভবিষ্যতে আমরা আরও সতর্ক থাকব।”