শুক্রবার ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:৫৩, ২ জানুয়ারি ২০২৬

স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ

স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের বিরুদ্ধে ভোটারদের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিলের সময় সংশ্লিষ্ট আসনের মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর দেখিয়েই তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে পরবর্তীতে ওই স্বাক্ষরগুলোর একটি অংশ জাল বলে অভিযোগ ওঠে।

এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্লাপুর ও রাধাগঞ্জ ইউনিয়নে অনুসন্ধান চালিয়ে একাধিক ভোটারের কাছ থেকে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের টিকরীবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মিলন সেনের স্ত্রী যমুনা সেন জানান, গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রশাসনের কর্মকর্তারা তার বাড়িতে এসে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের পক্ষে তিনি কোনো কাগজে স্বাক্ষর দিয়েছেন কি না জানতে চান। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, তিনি ওই প্রার্থীকে চেনেন না এবং কখনো তার পক্ষে কোনো কাগজে স্বাক্ষরও করেননি। তার নাম ও স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়ে থাকলে সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করেন তিনি।

একই ধরনের অভিযোগ করেন রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের গোলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা সুনীল বাড়ৈর স্ত্রী উষা বাড়ৈ। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় তার ছেলের বাসায় অবস্থান করছিলেন। গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের সঙ্গে তার কোনো পরিচয় নেই এবং তার কোনো কাগজেও তিনি স্বাক্ষর দেননি।

অভিযোগের বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, তার মনোনয়নপত্রে সংযুক্ত সব স্বাক্ষর বৈধ ও সঠিক। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সাগুফতা হক জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জমা দেওয়া স্বাক্ষর যাচাই-বাছাই করে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রিটার্নিং অফিসার গ্রহণ করবেন।

জনপ্রিয়