সোমবার ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:২৯, ২৩ মার্চ ২০২৬

মিঠামইনে আ. লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ৩০

মিঠামইনে আ. লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ৩০
ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

আজ সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেওয়ারজোড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত কাশেমের সমর্থকদের সঙ্গে একই গ্রামের বিএনপির সমর্থক নজিরের অনুসারীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে সোমবার সকালে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আহতদের মধ্যে নজিরের পক্ষের অন্তত ২১ জন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়া (৩০)-কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঈদুল ফিতরের আগ থেকেই কাশেম চেয়ারম্যানের অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র মজুত করে আসছিলেন। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল ঈদের নামাজের পর হামলা চালানো। গত রোববার রাত থেকেই প্রতিপক্ষকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে লাউকুড়ার মাঠে নজিরের পক্ষের ওপর প্রথম হামলা চালানো হয়। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ইউপি চেয়ারম্যান কাশেমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার কথাও জানা গেছে।

এ বিষয়ে মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”