ইবিতে শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), কুষ্টিয়ার সমাজ কল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক ড. মাহাবুব আলম প্রদীপ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ শোক ও ক্ষোভ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে নিজ বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, যা কেবল একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়; বরং সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য চরম নিরাপত্তাহীনতার নির্মম প্রতিচ্ছবি। এ ঘটনায় শিক্ষক সমাজ তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হত্যাকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানায় এবং শিক্ষক হত্যা বিচার চাই, নিরাপদ ক্যাম্পাস চাই, ন্যায়বিচার চাই—এ দাবিও তুলে ধরে।
এছাড়া দেশের সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সচেতন নাগরিকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
উল্লেখ্য, আসমা সাদিয়া রুনা সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ক্যাম্পাসের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে ওই শিক্ষিকার ২২৬ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। একই সময় ওই কক্ষ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বরাতে পুলিশ জানায়, ফজলুর রহমান শিক্ষক আসমা সাদিয়াকে ছুরিকাঘাতের পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।



























